Total Pageviews

Sunday, August 01, 2010

Hearing on the 7th Constitutional Amendment tomorrow

সপ্তম সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে রিটের শুনানি কাল শুরু

Courtesy: Samakal, Dhaka, 1 Aug, 2010
http://www.samakal.com.bd/details.php?news=14&action=main&menu_type=&option=single&news_id=82643&pub_no=413&type=

সমকাল প্রতিবেদক
সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের ওপর চূড়ান্ত শুনানি সোমবার শুরু হচ্ছে। গত ৫ এপ্রিল হাইকোর্টের জারি করা রুলের জবাব প্রস্তুত করছে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়। চলতি সপ্তাহে শুনানি চলাকালে আদালতে সেটি দাখিল করা হবে। বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি গ্রহণ করা হবে।
এ প্রসঙ্গে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোস্তফা জামান ইসলাম সমকালকে বলেন, রুলের জবাব প্রস্তুতির কাজ চলছে। পঞ্চম সংশোধনীর রায়ের আলোকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জবাব দাখিল করা হবে।
সাবেক সামরিক শাসক জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামল ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত সব সামরিক আইন, আদেশ-নির্দেশ ও বৈধতা দেওয়া সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীকে কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে হাইকোর্ট গত ৫ এপ্রিল সরকারের
প্রতি রুল জারি করেছিলেন।
চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারের আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, কারা মহাপরিদর্শক, রেজিস্ট্রার সুপ্রিম কোর্ট ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে তিন মাসেও পূর্ণাঙ্গ জবাব প্রস্তুত করা হয়নি।
চট্টগ্রামের পটিয়ার একটি হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তরকারি ব্যবসায়ী ছিদ্দিক আহমেদ বাদী হয়ে হাইকোর্টে গত ২৪ মার্চ রিটটি করেছিলেন। স্বৈরশাসক এরশাদের ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জারি করা সামরিক ফরমানের সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান সংক্রান্ত সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করা হয় ওই রিটে। রিটে সামরিক আদালতের দেওয়া ওই রায়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। একই সঙ্গে হত্যা মামলার পুনর্বিচার দাবি করা হয়।
রিটে আরও বলা হয়, সংবিধান বহির্ভূতভাবে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করেন জেনারেল এরশাদ। তার ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দিতে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত তার শাসনামলে গৃহীত সব কার্যক্রমকে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বৈধতা দেন। এছাড়া সামরিক ফরমানের মাধ্যমে প্রচলিত আইনে বিচারের পরিবর্তে যে কোনো মামলার বিচার সামরিক আদালতে করার বৈধতার আদেশ দেওয়া হয়। রিটে আরও বলা হয়, আসামি ছিদ্দিক আহমেদ প্রচলিত আইনে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিতেন। কিন্তু সামরিক আদালতে দ্রুত বিচার হওয়ায় আসামিরা ভীত হয়ে আদালতে উপস্থিত হননি। অন্যদিকে সাক্ষী বা আসামিদের বক্তব্য গ্রহণ না করে সামরিক আদালতে অবৈধভাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

No comments:

Post a Comment