Total Pageviews

Wednesday, November 10, 2010

রুমায় জমি অধিগ্রহণ-প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে সমাবেশ


Courtesy: Prothom Alo, Dhaka, Saradesh, 9 Nov 2010
Web: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-11-09/news/107772


রুমায় জমি অধিগ্রহণ-প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে সমাবেশ
বান্দরবান প্রতিনিধি তারিখ: ০৯-১১-২০১০

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সেনানিবাস সম্প্রসারণ ও বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ-প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে গতকাল সোমবার বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।উপজেলা পরিষদ এলাকার শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশের আয়োজন করা হয় রুমা উপজেলার সাধারণ জনগণের ব্যানারে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পান্থলা মৌজার হেডম্যান (মৌজাপ্রধান) নুমলাই ম্রো। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কার্বারি (পাড়াপ্রধান) জিংআল বম, ক্যসাপ্রু মারমা ও ফ্রান্সিস ত্রিপুরা, জনসংহতি সমিতির রুমা শাখার সাধারণ সম্পাদক লুপ্রু মারমা ও খিয়াং নেতা মংশৈপ্রু খিয়াং প্রমুখ। সমাবেশে সেংগুম, পান্থলা ও গালেংগ্যা মৌজার শত শত ম্রো, খুমী, বম, খিয়াং ও ত্রিপুরা আদিবাসী যোগ দেয়।বক্তারা জানান, রুমা সেনানিবাস সম্প্রসারণের জন্য সেংগুম, পান্থলা ও গালেংগ্যা মৌজায় সেনাবাহিনী নয় হাজার ৫৬০ একর ও পলি মৌজায় বিডিআর ব্যাটালিয়ন স্থাপনের জন্য ২৫ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এই পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করা হলে চার হাজারেরও বেশি আদিবাসী পরিবার বাস্তুভূমি থেকে উচ্ছেদ হবে।বক্তারা আরও বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালকে সাড়ে ১১ হাজার একর জমি রয়েছে। ওই জমিতে পদাতিক, গোলন্দাজ ও বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ সম্ভব। কিন্তু তা সত্ত্বেও শুধু আদিবাসীদের উচ্ছেদের কৌশল হিসেবে রুমায় বিপুল পরিমাণ ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। অবিলম্বে অধিগ্রহণ-প্রক্রিয়া বন্ধ করা না হলে ঈদের পরে রুমার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে রুমা থেকে বান্দরবান জেলা সদর পর্যন্ত লংমার্চ করা হবে বলে সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশ শেষে ইউএনওর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল সাইফুর রহমান স্মারকলিপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিডিআর ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর স্থাপনের জন্য ২৫ একর জমি অধিগ্রহণের বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।এ ব্যাপারে পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, পার্বত্য চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে অস্থায়ী সেনাক্যাম্প গুটিয়ে আনার জন্য সেনানিবাসগুলোতে কিছু স্থাপনা বাড়ানো প্রয়োজন। এ জন্য কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে তা শুধু প্রস্তাবের পর্যায়েই আছে।

1 comment: