Total Pageviews

New leadership

Contact us: chtpcjss@gmail.com

PCJSS/JSS key persons:
Sudha Sindhu Khisa, President/ Rupayan Dewan, Vice President,/Tatindra Lal Chakma, General Secretary/. Responsibility shouldered on 11 July 2013.

Background: The present central committee was elected on 11 July 2013, on the 2nd day of the 3-day long 10th PCJSS national conference. The earlier committee (convening committee) was formed on 10th April 2010 when Mr. Santu Larma convened the 9th national conference (29-31 March 2010) in sheer violation of the party constitution and excluded a few hundred veteran leaders and members and also "formally" expelled 7 top veteran leaders (Chandra Sekhar Chakma, Sudhasindhu Khisa, Rupayan Dewan, Tatindra Lal Chakma, Eng. Mrinal Kanti Tripura, Advocate Shaktiman Chakma and Binoy Krishna Khisa) and also declared their capital punishment. The present leadership is determined to democratise the JSS under a collective leadership.

"The world suffers a lot not because of the violence of the bad people, But because of the silence of the good people." Napoleon (1769-1821).

Thursday, December 01, 2011

JSS press conference at Khagarachari today


Ms. Kakoli Khisa, Advocate Shaktiman Chakma, Mr. Sudhasindhu Khisa and Mr. Rupayan Dewan (reading out the press statement), leaders of PCJSS are seen at a press conference at Wave's restaurant, Khagarachari on Dec 1, 2011. The press conference begins the programmes organised on the 14th year of the signing of the CHT Accord.

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা, পার্বত্য চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
 
=========================================================


পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৪তম বর্ষপুর্তি  উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির লিখিত বক্তব্য

স্থান: ওয়েভ রেষ্টোরা, খাগড়াছড়ি

সকাল: ১০:০০ ঘটিকা, wW‡m¤^i, ২০১১

---------------------


প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,
উপস্থিত সবাইকে সবাইকে শুভসকাল জানাই। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে শীতের এই সকালে আসার জন্যও সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিজয়ের মাসের ১ম দিনের সকালে আপনাদেরকে শুভসকাল জানিয়ে আমরা আমাদের দিনের তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৪তম বর্ষের উদযাপন-কর্মসূচি শুরু করছি। বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ ¯^vaxbZvi যুদ্ধে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন তাঁদের অমর অবদানকে বিজয়ের মাসের প্রথম দিনে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৪তম বর্ষে গভীর শ্রদ্ধাচিত্তে স্মরণ করছি। এইদিনে দেশের কৃষক-শ্রমিক, কুলি-মজুর, সকল মেহনতি মানুষ, নিপীড়িত নির্যাতিত আদিবাসী জাতিসমূহের জনগণ তথা গণতান্ত্রিক বৈষম্যমুক্তির আন্দোলনে যাঁরা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে চলেছেন এবং আত্মাহুতি দিয়েছেন তাঁদের অবদানকেও আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

যুগযুগ ধরে নির্যাতিত-নিপীড়িত জুম্মজাতির অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন-সংগ্রামে ¯^‡`kx-we‡`kx সংস্থা, নাগরিক সমাজ, মানবতাবাদী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দলসমূহের ব্যক্তিত্ব তথা নেতা-নেত্রী যাঁরা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি তথা জুম্মজাতির পাশে ছিলেন এবং এখনও বিভিন্নভাবে রয়েছেন তাঁদের অমূল্য অবদানকে চুক্তির চতুর্দশ বর্ষে গভীরভাবে স্মরণ করছি। জুম্মজাতির জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে যাঁরা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, শান্তিবাহিনী, মিলিশিয়া, গ্রাম পঞ্চায়েত, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতি, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি, পার্বত্য চট্টগ্রাম কাট্টন্যা সমিতি, জুমচাষী সমিতি, বৈদ্য সমিতি, মৎস্যজীবি সমিতি, পাহাড়ি ছাত্র সমিতি, পাহাড়ি গণপরিষদ, হিল উইমেন ফেডারেশন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে বা অবস্থানে থেকে ত্যাগ ¯^xKvi করেছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বা আত্মাহূতি দিয়েছেন আজকের দিনে তাঁদের অবদানকেও শ্রদ্ধাভরে আমরা স্মরণ করছি। 

প্রিয় সাংবাদিক ভাই বোনেরা,
          বিগত ১৯৯৪ সাল থেকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ আদিবাসী দিবস পালিত হয়ে আসছে এবং এতে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ মাননীয় আইনমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী বাংলাদেশের আদিবাসীদের শুভেচ্ছাবাণী দিয়ে আসছিলেন। আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহার দিন বদলের সনদ’- আদিবাসীদের সাংবিধানিক ¯^xK…wZ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নসহ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের আদিবাসী জাতিসমূহ আওয়ামী লীগ এর নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে বিপুল ভোটে জিতিয়ে আনতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু, বর্তমান সরকার দুর্ভাগ্যজনকভাবে হঠাৎ করে বাংলাদেশে আদিবাসী নেই বলে ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের আদিবাসীদের চরম হতাশায় নিমজ্জিত করেছে। পাশাপাশি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আদিবাসীদের একদিকে বাঙালী অপরদিকে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী, সম্প্রদায় নামে অভিহিত করে তাত্ত্বিক রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এতে নিজেদেরকে উগ্র বাঙালী জাতীয়তাবাদী হিসেবেও পরিচিহ্নিত করেছে। শুধু   তা- নয়, ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংবিধানের মৌলনীতি হিসেবে প্রতিস্থাপিত করা সত্ত্বেও ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম বিসমিল্লাহির-রহ্‌মানির রহিম শব্দ রেখে বাংলাদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ বহুজাতির রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা না করে বরং এর মধ্য দিয়ে আদিবাসী সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের মর্যাদা দিয়ে নিজেদের সাম্প্রদায়িক হিসেবে পরিচিত করিয়েছে। আদিবাসীদের বিষয়টি সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদে (সংস্কৃতি সম্পর্কিত) এনে তাদের রাজনৈতিক অধিকারকেও সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়েছে। সরকার উগ্র বাঙালী জাতীয়তাবাদী ইসলামী চেতনার পথ গ্রহণ করায় বিগত বৎসরে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যযোগ্য কোন পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি। অপর দিকে, মহাজোট সরকারের শরিক কতিপয় মাননীয় সংসদ সদস্য যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে প্রগতিশীল রাজনীতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং আদিবাসীদের পাশে থেকে সাহস যুগিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা সংসদে সংশ্লিষ্ট কমিটিতে ধর্ম, আদিবাসী ইত্যাদি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করলেও চুড়ান্ত পর্যায়ে পঞ্চদশ সংশোধনীকে সমর্থনদান করায় আদিবাসী, সংখ্যালঘু অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে চরমভাবে হতাশাগ্রস্থ করেছেন। পাশাপাশি, পার্বত্য অঞ্চলের তিন সংসদ সদস্যও এক্ষেত্রে আদিবাসীদের পক্ষে যথাযথ ভূমিকা পালনে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।

উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ১৯৯৮ সনে পার্বত্য জেলা পরিষদ বিল সংসদে উত্থাপনকাল হতেই চুক্তি লঙ্ঘন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯৯৬ সনে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকার, জনাব লতিফুর রহমানের তত্তা্বধায়ক সরকার, ২০০১ সালে নির্বাচিত -দলীয় বিএনপি সরকার, বৎসর মেয়াদী সেনা-সমর্থিত তত্তাবধায়ক সরকার এবং বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার; প্রত্যেকটি সরকারের আমলেই পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির লঙ্ঘন বিরোধিতা করা হয়েছে। অত্যন্ত আতঙ্কজনক বিষয় যে, এই চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া বর্তমান সরকারের আমলে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে আছে। চুক্তি ¯^vÿiKvix বর্তমান সরকার বিগত বৎসরের শাসনকালে চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির মাত্র ৩টি বৈঠক জাতিকে উপহার দিয়েছে। ১ম বৈঠকটি হয়েছে শুধুমাত্র পরিচিতিপর্ব দিয়ে। ২৬ wW‡m¤^i ২০১০ খ্রীষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত ৩য় বা সর্বশেষ বৈঠকটির  কার্যবিবরণী বিগত এক বছরেও সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় হতে আর ফিরে আসেনি। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে, বিগত ১৪ বৎসরে চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ বাস্তবায়িত হয়নি, নেয়া হয়নি উপজাতি অধ্যুষিত এলাকা বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণের উদ্যোগ। বরং, এই চরিত্র ধ্বংস করে দিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে ৪র্থ জেলা গঠন রাঙ্গামাটি সদর হতে বাঘাইছড়ি উপজেলা অত্যন্ত দূরে এই খোঁড়া যুক্তিতে এবং বিশেষ উদ্দেশ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলাকে  খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অন্তর্ভূক্তিকরণ প্রচেষ্টা চালিয়ে আসা হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির উন্নয়ন বা সাম্প্রদায়িক আস্থার উন্নয়ন করতে বার বার দাবী করা সত্ত্ব্বেও একই উদ্দেশ্যে স্থানীয় পুলিশ গঠনের প্রক্রিয়া হাতে নেয়া হচ্ছে না। আইন চুক্তি অনুসারে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আঞ্চলিক পরিষদ শক্তিশালীকরণ এবং এসবের নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন উদ্যোগ নেই। ফলে এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হচ্ছে। অনুরূপভাবে বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনে জবরদস্তিমূলক ভূমি-বিরোধ নিস্পত্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অপারেশন উত্তরণ নামে কাউন্টার ইন্সার্জেন্সী কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে এবং চুক্তি মোতাবেক ক্যাম্প গুটিয়ে নেয়া হচ্ছে না। 

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ার কারণেই বিভিন্ন বহুমুখী সমস্যা জটিল হতে জটিলতর হচ্ছে। এই কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রামে শুধুমাত্র ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষ হচ্ছে না, দেশে-বিদেশে আমাদের গণতান্ত্রিভাবে নির্বাচিত সরকারসমূহের সেনাবাহিনীর সুনামহানিও হচ্ছে; যা কারোরই কাম্য হতে পারে না। মূলতঃ ২০১০ খ্রীষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারী মাসে সাজেক-এর বাঘাইহাট খাগড়াছড়ি শহরে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক ঘটনা বিশ্ববাসীর বিবেককে নাড়া দিলে জাতিসংঘের আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য ৯ম অধিবেশনে (এপ্রিল ২০১০) স্পেশাল রেপোর্টিয়্যার নিয়োগ করে। গত মে মাসে স্পেশাল রেপোর্টিয়্যার মি: লার্স-এন্ডার্স বেয়ার এর এই প্রতিবেদন আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরাম তার ১০ম অধিবেশনে গ্রহণ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় বিগত জুলাই মাসে জাতিসংঘের ইকোনোমিক্‌ এণ্ড সোস্যাল কাউন্সিল (ইকোসক্‌) তা গ্রহণ করেছে। তাই, এইসব বিষয় বিবেচনায় এনে দ্রুত পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার যথাযথ সমাধান অতীব জরুরী।

পার্বত্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০০ সালে জনৈক বদিওজ্জামান ২০০৭ সালে এ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম কর্তৃক দায়েরকৃত পৃথক দুটি রীটে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা অসাংবিধানিক মর্মে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের রায়কে আপীল বিভাগের †P¤^vi আদালত স্থগিত ঘোষণা করেন এবং সর্বশেষ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আপীল আবেদনের চুড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিতাদেশ জারী করেছেন। অন্ত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্যণীয় যে, এই আপীল আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করার কোন পদক্ষেপ সরকারের মধ্যে এখনও লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
          পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ যে পার্বত্য চুক্তির বাস্তবায়ন চায় তা সরকার দেশবাসীকে দেখাতে আমরা আজ অপরাহ্ন (দুই) ঘটিকায় এক মানব বন্ধনের আয়োজন করেছি। যেহেতু দীর্ঘ ১৪ বৎসরেও চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ বাস্তবায়িত হয়নি, তাই সরকার বা শাসকগোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পানছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম; যেখান হতে শান্তির A‡š^lv শুরু হয়েছিল সেই ১৯৭৯ খ্রীষ্টাব্দে, সেই ধুদুকছড়া হতে রাঙ্গামাটি শহরের সন্নিকটে মানিকছড়ি পর্যন্ত ১০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে পার্বত্য জেলা উপজেলার উপর এই মানব বন্ধন হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির যথাযথ দ্রুত বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ, আদিবাসীদের সাংবিধানিক ¯^xK…wZ প্রদান, অবাঙ্গালীদের জাতি হিসেবে বাঙ্গালী পরিচিতি প্রদানের সিদ্ধান্ত বাতিল করে আদিবাসীদের আত্মপরিচয়ের অধিকারকে সম্মান জানানো এবং সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর পূনঃসংশোধন করার দাবীতে ৭০ হতে ৮০ হাজার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা বিশ্বাসের, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বয়সের নারী-পুরুষ, ছাত্র-যুবা ¯^Ztù~Z©fv‡e এই মানব বন্ধনে অংশগ্রহণ করবেন। তাঁদের সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়ানোর ব্যবস্থাপনায় এক হাজার জেএসএস নেতা-কর্মীকে নিয়োজিত করা হয়েছে।

          সুতরাং, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির যথাযথ দ্রুত বাস্তবায়নের আন্তরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা, আদিবাসীদের সাংবিধানিক ¯^xK…wZ প্রদান, অবাঙ্গালীদের জাতি হিসেবে বাঙ্গালী পরিচিতি প্রদানের সিদ্ধান্ত বাতিল করে আদিবাসীদের আত্মপরিচয়ের অধিকারকে সম্মান জানানো এবং সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর পূনঃসংশোধন করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সে জন্য আমরা দেশের সকল গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল অসাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে মিলে চুক্তি বাস্তবায়ন করতে চাই।  আপানাদের ব্যক্তিগত ¯^¯^ প্রতিষ্ঠানের ঐকান্তিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সকলকে শুভেচ্ছা ধন্যবাদ জানাই।        

শ্রী সুধাসিন্ধু খীসা                   শ্রী তাতিন্দ্র লাল চাকমা                     শ্রী রূপায়ণ দেওয়ান

 কো-চেয়ারপার্সন                        সদস্য-সচিব                                কো-চেয়ারপার্সন

০৩৭১-৬১৭৯০                      ০১৬৭৪৬৪৬৬০৫                         ০১৮১৭৬২৮৮০৬

e-mail: chtpcjss@gmail.com

web: http://chtvoice.blogspot.com




No comments:

Post a Comment